০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে এখনো পিছিয়ে বাংলাদেশ

ওকলা স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স।

মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ কোটির বেশি হলেও গতির দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো বৈশ্বিক তালিকায় পিছিয়ে। ওকলার স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর–নভেম্বর সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩ দেশের মধ্যে ৮৬তম। ডাউনলোড গতি ৪১.৭২ এমবিপিএস হলেও গ্রাম, উপজেলা ও পার্বত্য অঞ্চলে গতি খুবই ধীর।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫৪ দেশের মধ্যে ৯৯তম। যদিও গত এক বছরে ডাউনলোড ও আপলোড গতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবু ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত স্পেকট্রামের ঘাটতি, দুর্বল অবকাঠামো, অতিরিক্ত গ্রাহকচাপ ও বিনিয়োগের অভাবই কম গতির প্রধান কারণ। ফোরজি ও ফাইভজি সেবা এখনো দেশের অধিকাংশ এলাকায় পুরোপুরি পৌঁছায়নি, অথচ অপারেটররা ইন্টারনেটের দাম বাড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে সরকারকে নীতিগত ও বিনিয়োগ–বান্ধব উদ্যোগ নিতে হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

জাতীয় নির্বাচনের কারণে স্থগিত সুনামগঞ্জ চেম্বার নির্বাচন

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে এখনো পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ কোটির বেশি হলেও গতির দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো বৈশ্বিক তালিকায় পিছিয়ে। ওকলার স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর–নভেম্বর সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩ দেশের মধ্যে ৮৬তম। ডাউনলোড গতি ৪১.৭২ এমবিপিএস হলেও গ্রাম, উপজেলা ও পার্বত্য অঞ্চলে গতি খুবই ধীর।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫৪ দেশের মধ্যে ৯৯তম। যদিও গত এক বছরে ডাউনলোড ও আপলোড গতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবু ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত স্পেকট্রামের ঘাটতি, দুর্বল অবকাঠামো, অতিরিক্ত গ্রাহকচাপ ও বিনিয়োগের অভাবই কম গতির প্রধান কারণ। ফোরজি ও ফাইভজি সেবা এখনো দেশের অধিকাংশ এলাকায় পুরোপুরি পৌঁছায়নি, অথচ অপারেটররা ইন্টারনেটের দাম বাড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে সরকারকে নীতিগত ও বিনিয়োগ–বান্ধব উদ্যোগ নিতে হবে।