০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ–জাপান ইপিএ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন

বাংলাদেশ ও জাপান আজ সোমবার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশের বহু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপান বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত আমদানি করতে পারবে। বিপরীতে বাংলাদেশ জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বসির উদ্দিন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতার কথা জানায়। ইপিএর আওতায় সেবাখাতও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—বাংলাদেশ ৯৭টি এবং জাপান ১২০টি সেবা খাত উন্মুক্ত করবে, যা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি বিনিময়ে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, যৌথ পর্যবেক্ষণ ও অধ্যয়ন গ্রুপের মাধ্যমে এ আলোচনা শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশের পর ২০২৪ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। কিছুটা বিরতির পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার আবার আলোচনা এগিয়ে নেয়।

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ–জাপান ইপিএ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন

আপডেট সময় : ০১:০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ও জাপান আজ সোমবার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশের বহু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপান বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত আমদানি করতে পারবে। বিপরীতে বাংলাদেশ জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বসির উদ্দিন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতার কথা জানায়। ইপিএর আওতায় সেবাখাতও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—বাংলাদেশ ৯৭টি এবং জাপান ১২০টি সেবা খাত উন্মুক্ত করবে, যা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি বিনিময়ে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, যৌথ পর্যবেক্ষণ ও অধ্যয়ন গ্রুপের মাধ্যমে এ আলোচনা শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশের পর ২০২৪ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। কিছুটা বিরতির পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার আবার আলোচনা এগিয়ে নেয়।