০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর ৪ মিনিটে দুইভাগ করা হয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)

২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর, সংসদে মাত্র ৪ মিনিট ১০ সেকেন্ডের আলোচনায় ঢাকার প্রশাসনিক ইতিহাসে বড় পরিবর্তন আনা হয়—রাজধানী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

স্থানীয় সরকার–সিটি করপোরেশন সংশোধনী বিল-২০১১ পাসের মাধ্যমে কার্যত জন্ম নেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

সরকারের দাবি ছিল, ঢাকার দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, জটিল নগরসেবা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সিটি করপোরেশন ভাগ করা জরুরি। তবে বিভাজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সে সময় তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। বিরোধীদল বিষয়টিকে জনস্বার্থবিরোধী ও হঠাৎ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে।

বিলটি পাসের সময় সংসদে ভোটাভুটি হয়নি এবং মাত্র কয়েক মিনিটের আলোচনার মধ্যেই ঢাকার প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন ঘটে। এরপর থেকেই দুই মেয়র ও দুই প্রশাসনের মাধ্যমে রাজধানী পরিচালনা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: netra.news

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর ৪ মিনিটে দুইভাগ করা হয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর, সংসদে মাত্র ৪ মিনিট ১০ সেকেন্ডের আলোচনায় ঢাকার প্রশাসনিক ইতিহাসে বড় পরিবর্তন আনা হয়—রাজধানী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

স্থানীয় সরকার–সিটি করপোরেশন সংশোধনী বিল-২০১১ পাসের মাধ্যমে কার্যত জন্ম নেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

সরকারের দাবি ছিল, ঢাকার দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, জটিল নগরসেবা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সিটি করপোরেশন ভাগ করা জরুরি। তবে বিভাজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সে সময় তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। বিরোধীদল বিষয়টিকে জনস্বার্থবিরোধী ও হঠাৎ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে।

বিলটি পাসের সময় সংসদে ভোটাভুটি হয়নি এবং মাত্র কয়েক মিনিটের আলোচনার মধ্যেই ঢাকার প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন ঘটে। এরপর থেকেই দুই মেয়র ও দুই প্রশাসনের মাধ্যমে রাজধানী পরিচালনা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: netra.news