০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উদ্যোক্তাদের শিল্প প্লট দিচ্ছে বিসিক, সুনামগঞ্জে খালি আছে ২৭টি প্লট, আবেদন শেষ ১০ ডিসেম্বর

দেশজুড়ে ২০টি শিল্পনগরীতে ৮৭১টি শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও শিল্পকারখানা স্থাপনে সহায়তা দিতে নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে এসব শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বিসিক।

আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ১১ নভেম্বর শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। বিসিকের ওয়েবসাইটে প্লটের জন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় শর্ত, ফরম ও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।

বর্তমানে বরাদ্দের জন্য সবচেয়ে বেশি প্লট আছে মুন্সিগঞ্জের ‘বিসিক বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল’ শিল্পনগরীতে। এখানে ৩২৭টি শিল্পপ্লট বরাদ্দের জন্য উপযোগী অবস্থায় আছে। বরাদ্দযোগ্য প্লটসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী-২ (দ্বিতীয়) বিসিক শিল্পনগরী। সেখানে ২১৫টি খালি শিল্পপ্লট আছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারিত অংশ) খালি শিল্পপ্লট আছে ৯২টি। এর বাইরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শিল্পনগরীতে ৬৩টি, চুয়াডাঙ্গা শিল্পনগরীতে ৪৫টি, সুনামগঞ্জ শিল্পনগরীতে ২৭টি, মাদারীপুর (সম্প্রসারণ) শিল্পনগরীতে ২৩টি ও ভৈরব শিল্পনগরীতে ১৯টি খালি শিল্পপ্লট আছে।

এ ছাড়া বরগুনা শিল্পনগরীতে ১২টি, নরসিংদী শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারণ) ৮টি, পাবনা শিল্পনগরীতে ৭টি, কুড়িগ্রাম ও খাগড়াছড়ি শিল্পনগরীতে ৬টি করে, সিরাজগঞ্জ শিল্পনগরীতে ৫টি; ঝালকাঠি, ফেনীর নিজকুঞ্জরা, মৌলভীবাজার ও নোয়াখালী শিল্পনগরীতে ৩টি করে এবং রাঙামাটি ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম শিল্পনগরীতে ২টি করে খালি শিল্পপ্লট রয়েছে।

বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি শিল্পনগরীতে ডাম্পিং ইয়ার্ড, গ্রিন জোন, ফায়ার সার্ভিস, মসজিদ ও লেক প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এসব শিল্পপ্লট মহাসড়ক, রেলস্টেশন বা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে সুবিধা হবে। জমি বরাদ্দ নেওয়ার পরে এসব শিল্পপ্লট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রেখে ঋণ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা।

পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তারা প্লটের মূল্য এককালীন অথবা ছয় বছরে ১২ কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন। নারী শিল্পোদ্যোক্তারা এককালীন অথবা সাত বছরে ১৪ কিস্তিতে প্লটের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। আবেদন জমা দেওয়ার সময় পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত প্লটের জমির মোট মূল্যের ২০ শতাংশ এবং নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে প্লটের জমির মোট মূল্যের ১৫ শতাংশ অর্থের পে–অর্ডার বা ডিডি সংযুক্ত করতে হবে। বিস্তারিত তথ্য বিসিকের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শিল্পনগরী থেকে জানান যাবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

জাতীয় নির্বাচনের কারণে স্থগিত সুনামগঞ্জ চেম্বার নির্বাচন

উদ্যোক্তাদের শিল্প প্লট দিচ্ছে বিসিক, সুনামগঞ্জে খালি আছে ২৭টি প্লট, আবেদন শেষ ১০ ডিসেম্বর

আপডেট সময় : ১১:১৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশজুড়ে ২০টি শিল্পনগরীতে ৮৭১টি শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও শিল্পকারখানা স্থাপনে সহায়তা দিতে নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে এসব শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বিসিক।

আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ১১ নভেম্বর শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। বিসিকের ওয়েবসাইটে প্লটের জন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় শর্ত, ফরম ও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।

বর্তমানে বরাদ্দের জন্য সবচেয়ে বেশি প্লট আছে মুন্সিগঞ্জের ‘বিসিক বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল’ শিল্পনগরীতে। এখানে ৩২৭টি শিল্পপ্লট বরাদ্দের জন্য উপযোগী অবস্থায় আছে। বরাদ্দযোগ্য প্লটসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী-২ (দ্বিতীয়) বিসিক শিল্পনগরী। সেখানে ২১৫টি খালি শিল্পপ্লট আছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারিত অংশ) খালি শিল্পপ্লট আছে ৯২টি। এর বাইরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শিল্পনগরীতে ৬৩টি, চুয়াডাঙ্গা শিল্পনগরীতে ৪৫টি, সুনামগঞ্জ শিল্পনগরীতে ২৭টি, মাদারীপুর (সম্প্রসারণ) শিল্পনগরীতে ২৩টি ও ভৈরব শিল্পনগরীতে ১৯টি খালি শিল্পপ্লট আছে।

এ ছাড়া বরগুনা শিল্পনগরীতে ১২টি, নরসিংদী শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারণ) ৮টি, পাবনা শিল্পনগরীতে ৭টি, কুড়িগ্রাম ও খাগড়াছড়ি শিল্পনগরীতে ৬টি করে, সিরাজগঞ্জ শিল্পনগরীতে ৫টি; ঝালকাঠি, ফেনীর নিজকুঞ্জরা, মৌলভীবাজার ও নোয়াখালী শিল্পনগরীতে ৩টি করে এবং রাঙামাটি ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম শিল্পনগরীতে ২টি করে খালি শিল্পপ্লট রয়েছে।

বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি শিল্পনগরীতে ডাম্পিং ইয়ার্ড, গ্রিন জোন, ফায়ার সার্ভিস, মসজিদ ও লেক প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এসব শিল্পপ্লট মহাসড়ক, রেলস্টেশন বা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে সুবিধা হবে। জমি বরাদ্দ নেওয়ার পরে এসব শিল্পপ্লট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রেখে ঋণ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা।

পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তারা প্লটের মূল্য এককালীন অথবা ছয় বছরে ১২ কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন। নারী শিল্পোদ্যোক্তারা এককালীন অথবা সাত বছরে ১৪ কিস্তিতে প্লটের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। আবেদন জমা দেওয়ার সময় পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত প্লটের জমির মোট মূল্যের ২০ শতাংশ এবং নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে প্লটের জমির মোট মূল্যের ১৫ শতাংশ অর্থের পে–অর্ডার বা ডিডি সংযুক্ত করতে হবে। বিস্তারিত তথ্য বিসিকের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শিল্পনগরী থেকে জানান যাবে।