১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইনভিত্তিক রপ্তানি বাড়াতে বি২বি২সি মডেলে রপ্তানির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইনভিত্তিক রপ্তানি সহজ করতে বিজনেস-টু-বিজনেস-টু-কনজিউমার (বি২বি২সি) কাঠামোর মাধ্যমে পণ্য রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এতে দেশের উদ্যোক্তারা অ্যামাজন, আলিবাবা, ফ্লিপকার্টসহ বিশ্বব্যাপী পরিচিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিকারকেরা এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, আন্তর্জাতিক ওয়্যারহাউস বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পণ্য পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিদেশি কনসাইনি চূড়ান্ত ক্রেতা না হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে।

এই কাঠামোতে রপ্তানির আগে উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম বা ওয়্যারহাউসে নিবন্ধনের প্রমাণ এডি ব্যাংকে জমা দিতে হবে। বিক্রয় চুক্তি না থাকায় প্রফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতে ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করা যাবে। শিপিং ডকুমেন্টও কনসাইনির নামে গ্রহণ করতে পারবে ব্যাংক।

রপ্তানি আয় স্বাভাবিক ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়াও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটরের মাধ্যমে দেশে আনা যাবে। একাধিক চালানের অর্থ একসঙ্গে এলে এডি ব্যাংক ‘ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট’ নীতি অনুসরণ করে আয় সমন্বয় করবে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আন্তসীমান্ত ই-কমার্সকে আরও গতিশীল করবে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নতুন বাজার দেবে এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল খুচরা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বাড়িয়ে রপ্তানিকে বহুমুখী করবে।

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

অনলাইনভিত্তিক রপ্তানি বাড়াতে বি২বি২সি মডেলে রপ্তানির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ১০:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইনভিত্তিক রপ্তানি সহজ করতে বিজনেস-টু-বিজনেস-টু-কনজিউমার (বি২বি২সি) কাঠামোর মাধ্যমে পণ্য রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এতে দেশের উদ্যোক্তারা অ্যামাজন, আলিবাবা, ফ্লিপকার্টসহ বিশ্বব্যাপী পরিচিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিকারকেরা এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, আন্তর্জাতিক ওয়্যারহাউস বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পণ্য পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিদেশি কনসাইনি চূড়ান্ত ক্রেতা না হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে।

এই কাঠামোতে রপ্তানির আগে উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম বা ওয়্যারহাউসে নিবন্ধনের প্রমাণ এডি ব্যাংকে জমা দিতে হবে। বিক্রয় চুক্তি না থাকায় প্রফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতে ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করা যাবে। শিপিং ডকুমেন্টও কনসাইনির নামে গ্রহণ করতে পারবে ব্যাংক।

রপ্তানি আয় স্বাভাবিক ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়াও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটরের মাধ্যমে দেশে আনা যাবে। একাধিক চালানের অর্থ একসঙ্গে এলে এডি ব্যাংক ‘ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট’ নীতি অনুসরণ করে আয় সমন্বয় করবে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আন্তসীমান্ত ই-কমার্সকে আরও গতিশীল করবে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নতুন বাজার দেবে এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল খুচরা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বাড়িয়ে রপ্তানিকে বহুমুখী করবে।