০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি করতে ভুটানের আগ্রহ

ভুটান বাংলাদেশ সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শনিবার ঢাকার এক হোটেলে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকে এ আগ্রহ জানান ভুটানের সফররত প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে।

বৈঠকে তিনি বাংলাদেশি পর্যটকদের ভুটান ভ্রমণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের জন্য ভুটানে প্রতি রাত অবস্থানের ফি ১৫ ডলার, অন্য দেশের জন্য ১০০ ডলার। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

২০২০ সাল থেকে ভুটান–বাংলাদেশ পিটিএ (অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি) চালু রয়েছে। এবার ভুটান এফটিএ করতে আগ্রহী বলে বৈঠকে জানানো হয়। ভুটান ‘গেলেফু’ নামে একটি জীববৈচিত্র্য নগর নির্মাণ করছে, যার নির্মাণ উপকরণ বাংলাদেশ থেকে আমদানির আগ্রহও জানিয়েছে দেশটি।

কুড়িগ্রামে ভুটানের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ করায় কৃতজ্ঞতা জানান শেরিং তোবগে। শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আসন্ন সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এফটিএর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভুটানে প্রধানত পোশাক, খাদ্যসামগ্রী ও প্লাস্টিকজাত পণ্য রপ্তানি হয়; আর ভুটান থেকে সবজি, ফলমূল, খনিজ ও নির্মাণসামগ্রী আমদানি করে বাংলাদেশ।

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি করতে ভুটানের আগ্রহ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

ভুটান বাংলাদেশ সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শনিবার ঢাকার এক হোটেলে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকে এ আগ্রহ জানান ভুটানের সফররত প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে।

বৈঠকে তিনি বাংলাদেশি পর্যটকদের ভুটান ভ্রমণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের জন্য ভুটানে প্রতি রাত অবস্থানের ফি ১৫ ডলার, অন্য দেশের জন্য ১০০ ডলার। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

২০২০ সাল থেকে ভুটান–বাংলাদেশ পিটিএ (অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি) চালু রয়েছে। এবার ভুটান এফটিএ করতে আগ্রহী বলে বৈঠকে জানানো হয়। ভুটান ‘গেলেফু’ নামে একটি জীববৈচিত্র্য নগর নির্মাণ করছে, যার নির্মাণ উপকরণ বাংলাদেশ থেকে আমদানির আগ্রহও জানিয়েছে দেশটি।

কুড়িগ্রামে ভুটানের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ করায় কৃতজ্ঞতা জানান শেরিং তোবগে। শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আসন্ন সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এফটিএর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভুটানে প্রধানত পোশাক, খাদ্যসামগ্রী ও প্লাস্টিকজাত পণ্য রপ্তানি হয়; আর ভুটান থেকে সবজি, ফলমূল, খনিজ ও নির্মাণসামগ্রী আমদানি করে বাংলাদেশ।