১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি–পদোন্নতির ক্ষমতা পাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি, পদায়ন ও শৃঙ্খলাবিষয়ক সব ধরনের ক্ষমতা এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত হওয়ার পথে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫’–এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

আজ বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আইন উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রাষ্ট্রপতির হাতে—যা বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে আইন মন্ত্রণালয় পরিচালনা করে। বিচারকদের বদলি ও পদায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হলে এসব ক্ষমতা সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের হাতে চলে যাবে। নিম্ন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা, ছুটি, এমনকি নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলিও নির্ধারণ করবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ই। ফলে এসব বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর সরকারের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। উচ্চ আদালত তাদের নিজস্ব সচিবালয়ের মাধ্যমে এসব প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। তবে সচিবালয় গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান ব্যবস্থাই চলবে। তাঁর আশা, পৃথক সচিবালয় কয়েক মাসের মধ্যেই গঠন হয়ে কার্যক্রম শুরু করবে।

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি–পদোন্নতির ক্ষমতা পাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি, পদায়ন ও শৃঙ্খলাবিষয়ক সব ধরনের ক্ষমতা এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত হওয়ার পথে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫’–এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

আজ বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আইন উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রাষ্ট্রপতির হাতে—যা বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে আইন মন্ত্রণালয় পরিচালনা করে। বিচারকদের বদলি ও পদায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হলে এসব ক্ষমতা সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের হাতে চলে যাবে। নিম্ন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা, ছুটি, এমনকি নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলিও নির্ধারণ করবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ই। ফলে এসব বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর সরকারের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। উচ্চ আদালত তাদের নিজস্ব সচিবালয়ের মাধ্যমে এসব প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। তবে সচিবালয় গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান ব্যবস্থাই চলবে। তাঁর আশা, পৃথক সচিবালয় কয়েক মাসের মধ্যেই গঠন হয়ে কার্যক্রম শুরু করবে।