০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে প্রান্তিক মানুষের দুঃখদুর্দশার কথা বলবো- ড.সাদিক

দ্বিপাল ভট্টাচার্য্য ,

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রথমবার সুনামগঞ্জ এসে পিএসসি’র সাবেক চেয়ারম্যান  ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেছেন, 

‘জাতীয় সংসদে প্রান্তিক মানুষের দুঃখদুর্দশার কথা বলবো,  এই অঞ্চলের মানুষের সব দুঃখদুর্দশা হয়তু সমাধান করতে পারবো না তবে জাতীয় সংসদে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে বলতে পারবো।  সকল সমস্যার সমাধান হয়তো আমি করতে পারবো না, তবে সব সমস্যার কথা সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে পারবো ‘।

ছবি: বাইট

সাদিক বলেন, আমি গ্রামের মানুষ মানুষের কষ্টগুলো আমি জানি, আজ আপনারা সমবেত হয়ে যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ ‘। নৌকা স্বাধীনতার প্রতিক, মুক্তিযুদ্ধের প্রতিক, বঙ্গবন্ধুর প্রতিক  সেই প্রতিকে সুনামগঞ্জ- ৪ আসনে নির্বাচন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা আমাকে মনোনীত করেছেন এই আসন থেকে নৌকায় বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চাই।’ সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের কার্যালয়ে সমবেত নেতা-কর্মীদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি। 

ড. মোহাম্মদ সাদিকের আগমন উপলক্ষে বুধবার( ২৯ নভেম্বর)  সুনামগঞ্জ পৌরসভার সামনে থেকে মটর সাইকেল সহযোগে একটি র্যারি নিয়ে সুনামগঞ্জ- সিলেট মহাসড়কের হাসন রাজা তুরণের সামনে গিয়ে তাকে বরণ করা হয়।পরে র্যালি সহকারে ড.  মোহাম্মদ সাদিক জেলা আওয়ামিলীগের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। 

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন। 

জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাঁদের বক্তব্যে বলনে,’ আমরা নতুন কমিটি ঘোষণার পরেই বলেছিলাম সুনামগঞ্জ -৪( সদর – বিশ্বম্ভপুর)  আসনে নৌকার প্রার্থী চাই, সেটা আমরা পেয়েছি। এখন সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবো’।র্যারি ও সমাবেশে সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আবেদিন, জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বি স্মরণ সহ আওয়ামী লীগে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ড. মোহাম্মদ সাদিক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে স্থানীয় ঐতিহ্য যাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ  করেন। 

ছবি: বাইট

উল্লেখ্য;দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  সুনামগঞ্জ-৪ ( সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা  ) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার মনোনয়ন পেয়েছেন ড. মোহাম্মদ সাদিক। তিনি সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও সরকারের সাবেক সচিব।

রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ২২৭ (সুনামগঞ্জ-৪) এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ সাদিকের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

তথ্য সূত্র জানাগেছে, দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে অনেক পুরনো মুখের পরিবর্তে নতুন মুখ বেছে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে তাদের সততা, আনুগত্য ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করা হয়েছে।

নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পাওয়া ড. মোহাম্মদ সাদিক ১৯৫৫ সালে সুনামগঞ্জ শহরতলির ধারারগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ এবং এমএ ডিগ্রি ছাড়াও সিলেটের নাগরী লিপির ওপর গবেষণার জন্য ভারতের আসাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সাদিক। সিভিল সার্ভিসের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে মোহাম্মদ সাদিক বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি শিক্ষা সচিব ও নির্বাচন কমিশন সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নজরুল ইন্সটিটিউটের সচিব, সুইডেনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার কিছুদিন পর সরকার তাঁকে কর্মকমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরে ২০১৬ সালের মে থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংবিধানিক সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন সাদিক। এসময় তিনি পরিক্ষাপদ্ধতির নানা সংস্কারের জন্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন।

আমলা পরিচয় ছাড়াও মোহাম্মদ সাদিক একজন কবি ও গবেষক হিসেবে সমাদৃত। ২০১৭ সালে কবিতায় পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। এছাড়া জাতীয় কবিতা পরিষদ, এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব সহ বিভিন্ন সংগঠনে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আজীবন সদস্য হিসেবে সম্পৃক্ততা রয়েছে তাঁর। ড. সাদিকের সহধর্মিণী জেসমিন আরা বেগম একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ। বর্তমানে তিনি মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

বাইট/সজিব/সুনাম-২৩ইং

টেগ :

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

সংসদে প্রান্তিক মানুষের দুঃখদুর্দশার কথা বলবো- ড.সাদিক

আপডেট সময় : ০১:২২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

দ্বিপাল ভট্টাচার্য্য ,

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রথমবার সুনামগঞ্জ এসে পিএসসি’র সাবেক চেয়ারম্যান  ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেছেন, 

‘জাতীয় সংসদে প্রান্তিক মানুষের দুঃখদুর্দশার কথা বলবো,  এই অঞ্চলের মানুষের সব দুঃখদুর্দশা হয়তু সমাধান করতে পারবো না তবে জাতীয় সংসদে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে বলতে পারবো।  সকল সমস্যার সমাধান হয়তো আমি করতে পারবো না, তবে সব সমস্যার কথা সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে পারবো ‘।

ছবি: বাইট

সাদিক বলেন, আমি গ্রামের মানুষ মানুষের কষ্টগুলো আমি জানি, আজ আপনারা সমবেত হয়ে যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ ‘। নৌকা স্বাধীনতার প্রতিক, মুক্তিযুদ্ধের প্রতিক, বঙ্গবন্ধুর প্রতিক  সেই প্রতিকে সুনামগঞ্জ- ৪ আসনে নির্বাচন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা আমাকে মনোনীত করেছেন এই আসন থেকে নৌকায় বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চাই।’ সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের কার্যালয়ে সমবেত নেতা-কর্মীদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি। 

ড. মোহাম্মদ সাদিকের আগমন উপলক্ষে বুধবার( ২৯ নভেম্বর)  সুনামগঞ্জ পৌরসভার সামনে থেকে মটর সাইকেল সহযোগে একটি র্যারি নিয়ে সুনামগঞ্জ- সিলেট মহাসড়কের হাসন রাজা তুরণের সামনে গিয়ে তাকে বরণ করা হয়।পরে র্যালি সহকারে ড.  মোহাম্মদ সাদিক জেলা আওয়ামিলীগের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। 

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন। 

জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাঁদের বক্তব্যে বলনে,’ আমরা নতুন কমিটি ঘোষণার পরেই বলেছিলাম সুনামগঞ্জ -৪( সদর – বিশ্বম্ভপুর)  আসনে নৌকার প্রার্থী চাই, সেটা আমরা পেয়েছি। এখন সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবো’।র্যারি ও সমাবেশে সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আবেদিন, জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বি স্মরণ সহ আওয়ামী লীগে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ড. মোহাম্মদ সাদিক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে স্থানীয় ঐতিহ্য যাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ  করেন। 

ছবি: বাইট

উল্লেখ্য;দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  সুনামগঞ্জ-৪ ( সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা  ) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার মনোনয়ন পেয়েছেন ড. মোহাম্মদ সাদিক। তিনি সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও সরকারের সাবেক সচিব।

রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ২২৭ (সুনামগঞ্জ-৪) এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ সাদিকের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

তথ্য সূত্র জানাগেছে, দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে অনেক পুরনো মুখের পরিবর্তে নতুন মুখ বেছে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে তাদের সততা, আনুগত্য ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করা হয়েছে।

নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পাওয়া ড. মোহাম্মদ সাদিক ১৯৫৫ সালে সুনামগঞ্জ শহরতলির ধারারগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ এবং এমএ ডিগ্রি ছাড়াও সিলেটের নাগরী লিপির ওপর গবেষণার জন্য ভারতের আসাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সাদিক। সিভিল সার্ভিসের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে মোহাম্মদ সাদিক বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি শিক্ষা সচিব ও নির্বাচন কমিশন সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নজরুল ইন্সটিটিউটের সচিব, সুইডেনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার কিছুদিন পর সরকার তাঁকে কর্মকমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরে ২০১৬ সালের মে থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংবিধানিক সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন সাদিক। এসময় তিনি পরিক্ষাপদ্ধতির নানা সংস্কারের জন্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন।

আমলা পরিচয় ছাড়াও মোহাম্মদ সাদিক একজন কবি ও গবেষক হিসেবে সমাদৃত। ২০১৭ সালে কবিতায় পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। এছাড়া জাতীয় কবিতা পরিষদ, এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব সহ বিভিন্ন সংগঠনে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আজীবন সদস্য হিসেবে সম্পৃক্ততা রয়েছে তাঁর। ড. সাদিকের সহধর্মিণী জেসমিন আরা বেগম একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ। বর্তমানে তিনি মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

বাইট/সজিব/সুনাম-২৩ইং